
অনন্ত শক্তির উৎস, যিনি জগৎ সৃষ্টির আদি কারণ, যিনি সকল জীবের মধ্যে চৈতন্য শক্তি রূপে বিরাজ করেন, জগন্ময়ী পরমেশ্বরী তিনি আদ্যা শক্তি, শ্রী শ্রী আদ্যা মা।
১৯৭০ খ্রীস্টাব্দে শ্রীশ্রী আদ্যামায়ের আবির্ভাব ঘটে কলিকাতার বাগবাজার অঞ্চলের মুখোপাধ্যায় পরিবারে এবং ১৯৯২ খ্রীস্টাব্দে কলিকাতা বিমানবন্দরের নিকট রঘুনাথপুরে শ্রীশ্রী আদ্যামায়ের মন্দির স্থাপিত হয়। এই মাতৃ মন্দিরে দেবী মহামায়া প্রকাশিত শ্রী শ্রী আদ্যা শক্তি রূপে। মা এর সেই কল্যাণী স্বরূপ উদ্ভাসিত হয়েছে মন্দিরে স্থাপিত এক অনির্বচনীয় প্রতিকৃতিতে। এখানে মায়ের চৈতন্যরূপ বিশেষভাবে জাগ্রত এবং মায়ের ঈশ্বরীয় রূপের অনির্বচনীয় সৌন্দর্য ও মাধুর্য সমৃদ্ধ করে সকল ভক্তবৃন্দকে। এখানে এসে মানুষ যে পরম শান্তি লাভ করে তা তার জীবনে চিরস্থায়ী হয়। ব্যাকুল চিত্তে তাঁর আরাধনা করলে আমাদের হৃদয়ে সেই চৈতন্য শক্তিরূপ অনুভূত হয়। তিনিই যে শাশ্বত এবং আনন্দসিন্ধু, তা একমাত্র ভক্তের শুদ্ধ অন্তঃকরণের অগাধ ভগবৎ প্রেম দ্বারাই উপলব্ধি করা সম্ভব।
আমাদের এই মাতৃ মন্দিরের প্রতিষ্ঠার্ত্রী শ্রী শ্রী গুরু মাতার জীবন দর্শন প্রভাবিত করে ধর্ম-বর্ণ নির্বেশেষে সকল শ্রেণীর মানুষকে। শ্রী শ্রী গুরু মাতার মতাদর্শ অনুসারে, ব্যাকুল হয়ে নিরন্তর ঐশ্বরিক শ্রী শ্রী আদ্যাশক্তির আরাধনা, এবং অহংকার শূন্য সরল জীবনধারণের মাধ্যমেই সকল জীবের অন্তর শুদ্ধ হওয়া সম্ভব।
